শরীয়তপুর : শরীয়তপুরে প্রবাসী স্বামীকে হত্যার পর মরদেহ খণ্ড-বিখণ্ড করে ফ্রিজে লুকানোর সময় গৃহবধূ আসমা আক্তারকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার দিবাগত রাতে শহরের পালং উচ্চ বিদ্যালয় এলাকা থেকে আসমা আক্তার নামের ওই নারীকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, পারিবারিক কলহের জেরে গত মঙ্গলবার (১২ মে) রাতে সদর উপজেলার চন্দ্রপুর এলাকায় স্বামী জিয়া সরদারকে লোহার টুকরা দিয়ে মাথায় আঘাত করেন স্ত্রী আসমা আক্তার। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় সে।

পরে মরদেহ কেটে টুকরো টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেয়া হয়। মরদেহের কিছু অংশ নড়িয়া উপজেলার নদীর পাড়ে এবং বাকি অংশ আটং বৃক্ষতলার একটি পুকুরপাড় থেকে উদ্ধার করা হয়।
এদিকে মরদেহের কিছু অংশ ফ্রিজে রাখার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা ৯৯৯-এ জানালে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ওই নারীকে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করে ওই নারী।
শরীয়তপুর সদর পালং মডেল থানার ওসি শাহ আলম জানান, স্বামীকে হত্যার পর মরদেহ টুকরো করে ড্রামে ভরে রেখেছিলেন ওই নারী। পরবর্তীতে দেহাংশ বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্ত নারীকে আটক করা হয়েছে এবং তার দেওয়া তথ্যানুযায়ী মরদেহের বিভিন্ন খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এসপি/এনডি/এএস



