ঢাকা : ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী নতুন করে হামলা চালানোর পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম প্রায় ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
আগের সেশনে তেলের দাম কমে গত সাত সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে নামলেও বুধবার (১০ জুন) বাজার আবার চাঙ্গা হয়ে ওঠে।
এর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের মজুত উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাওয়ার তথ্যও বাজারে প্রভাব ফেলেছে। খবর রয়টার্সের।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ৬৮ সেন্ট বা ০.৮ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ৮৮.৯৭ ডলারে পৌঁছেছে।
এর আগে, ট্রাম্পের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ইসরাইল ও ইরান একে অপরের ওপর সরাসরি হামলা বন্ধ করলে মঙ্গলবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম গত ১৭ এপ্রিলের পর এবং ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম গত ২৯ মে-র পর সর্বনিম্ন স্তরে নেমেছিল।
তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার আমেরিকান পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউটের প্রকাশিত ডেটার বরাতে জানা গেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুত টানা অষ্টম সপ্তাহের মতো হ্রাস পেয়েছে। একই সঙ্গে কমেছে পেট্রোলের মজুতও।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ৫ জুন শেষ হওয়া সপ্তাহে অপরিশোধিত তেলের মজুত ৯১.২ লাখ ব্যারেল এবং পেট্রোলের মজুত ১১.৯ লাখ ব্যারেল কমেছে।
চলমান এই যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র এশিয়া ও ইউরোপে তেল ও জ্বালানি পণ্যের রপ্তানি অনেক বাড়িয়ে দিয়েছিল।
এখন খোদ যুক্তরাষ্ট্রের বুকেই তেলের মজুত কমে আসায় তা দেশটির রপ্তানি সচল রাখার ক্ষমতাকে ব্যাহত করতে পারে, যা বিশ্ববাজারে তেলের দামকে আরও উসকে দেবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জেএফজে/এনডি/এএস



