রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৯শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২রা রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

কক্সবাজারে পৃথক তিনটি পাহাড়ধসে নয়জনের মৃত্যু

কক্সবাজারে পৃথক তিনটি পাহাড়ধসে নয়জনের মৃত্যু

কক্সবাজার: টানা ভারী বর্ষণে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে পৃথক তিনটি পাহাড়ধসে নারী ও শিশুসহ নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে আটজন রোহিঙ্গা নাগরিক এবং একজন বাংলাদেশি রয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন।

সোমবার (৬ জুলাই) রাত সাড়ে ৩টার দিকে বিভিন্ন আশ্রয়শিবির ও কক্সবাজার শহরের জানারঘোনায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন—পালংখালী ইউনিয়নের ১৫ নম্বর জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-৬ ব্লকের কামাল হোসাইন (৪৪), তার স্ত্রী হুমায়রা বেগম (৩৯) ও চার বছরের ছেলে মোহাম্মদ আনাস; কুতুপালং ৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-৭ ব্লকের মোহাম্মদ রশিদের ছেলে একরাম (৭) এবং বালুখালী ১১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-১১ ব্লকের উম্মে হাবিবা (২৭), তার বোন তানজিনা আক্তার (১৩), মোহাম্মদ রিহান (৫) ও হারুনুর রশিদ (৩)।

রোহিঙ্গাদের ভাষ্য, ১৫ নম্বর আশ্রয়শিবিরের জামতলী এলাকার ডি ব্লকে পাহাড়ধসে একটি আশ্রয়কেন্দ্র মাটিচাপা পড়ে নিহত হয়েছেন একই পরিবারের তিনজন। তাদের মধ্যে রয়েছে বাবা, মা এবং চার বছর বয়সী এক শিশু।
দুর্ঘটনার সময় আশ্রয়কেন্দ্রটিতে পরিবারের ১০ সদস্য ছিলেন। এ সময় আহত এক কিশোরীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি সদস্যদের জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে ৭ নম্বর আশ্রয়শিবিরের ডি-৭ ব্লকে পাহাড়ধসে মারা গেছে মো. একরাম (৭) নামে এক রোহিঙ্গা শিশু।
অন্যদিকে ১১ নম্বর আশ্রয়শিবিরের সি-১১ ব্লকে আরেকটি পাহাড়ধসে নিহত হন একই রোহিঙ্গা পরিবারের চারজন।

উখিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা ডলার ত্রিপুরা বলেন, ‘সবকটি ঘটনা কাছাকাছি সময়ে ঘটেছে। এই পর্যন্ত ৮ জনের মরদেহ এবং দুইজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। কেউ নিখোঁজ বা চাপা পড়ে আছে কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ধসের ঝুঁকি বাড়ায় ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বারবার মাইকিং ও প্রচারণার মাধ্যমে সতর্ক করা হচ্ছে।

এসসিএস/এনডি/এএস

শেয়ার করুন

এখনই

আরো পড়ুন