কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে পর্যটনসেবাকে আরও সহজ, আধুনিক ও আকর্ষণীয় করে তোলা সম্ভব। তাই চুয়াডাঙ্গার পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বিশ্ব পর্যটন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান তিনি।
জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার আরও বলেন, পর্যটন এখন শুধু বিনোদনের বিষয় নয়; এটি একটি দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, সংস্কৃতি ও সম্ভাবনাকে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি মাদক থেকে দূরে থাকারও গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

এর আগে ‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে র্যালিটি বের করা হয়। পরে র্যালিটি শহরের কোট মোড় প্রদক্ষিণ করে পুনরায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বি এম তারিক উজ জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক ও পৌর প্রশাসক শারমিন আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আমীর হামযাহ্, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) হুমায়ুন কবির, দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লাভলী ইয়াসমিন, আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীনুর আক্তারসহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীরা।
আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক সিদ্দিকুর রহমান, কালেক্টর স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আলামিন, ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী হালিমা মাহামুদ, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহামুদ মিল্টন, জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিম, শতরূপা ট্রাভেলসের রাশেদ রায়হান এবং এইচ বি ট্রাভেলসের শাহ জালাল বাবু।
সভায় চুয়াডাঙ্গা জেলার পর্যটন সম্ভাবনাকে দেশ-বিদেশে তুলে ধরার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। একইসাথে জেলার পর্যটনকেন্দ্রগুলোর উন্নয়ন, পর্যটনস্থানের প্রচার-প্রচারণা বৃদ্ধি এবং পর্যটনসেবায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন বক্তারা।
জেএন



