শনিবার, ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৮শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১লা রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

যেসব ইস্যুতে আটকে আছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা

যেসব ইস্যুতে আটকে আছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হবে আগামীকাল বুধবার (২২ এপ্রিল)। বারবার বলা হচ্ছে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে হবে সমঝোতা। তবে তা এখনও আলোর মুখ দেখেনি। 

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উচ্চপর্যায়ের আলোচনা নতুন করে কূটনৈতিক গতি পেলেও মূল কয়েকটি ইস্যুতে এখনো বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়ে গেছে। ইরান কি শেষ পর্যন্ত ইসলামাবাদের শান্তি বৈঠকে যোগ দেবে।

তেহরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের একটি সংক্ষিপ্ত শব্দবন্ধ-‘এখন পর্যন্ত’-পুরো বিষয়টিকে এক গভীর রহস্য ও নাটকীয়তার আবহে নিয়ে গেছে।

মুখপাত্রের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এখন পর্যন্ত…দ্বিতীয় দফার আলোচনার জন্য আমাদের কোনো পরিকল্পনা নেই।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, এমনকি যুদ্ধ ক্ষতিপূরণ বিভিন্ন বিষয়ে উভয় পক্ষই নিজেদের অবস্থানে অনড়। ফলে সম্ভাব্য কোনো চুক্তির পথ এখনও অনিশ্চিত রয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান সম্পূর্ণভাবে তার পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করুক। কিন্তু তেহরানের দাবি, এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা অবশ্যই নির্দিষ্ট সময়ের জন্য হতে হবে।

সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের প্রায় ৪০০ কেজি উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু ইরান এ প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে।

হরমুজ প্রণালি
ইরান বলছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরে আরোপিত অবরোধ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে। কিন্তু ট্রাম্প বলেছেন চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত অবরোধ বহাল থাকবে।

জব্দ সম্পদ
ইরান যেকোনো স্থায়ী চুক্তির অংশ হিসেবে নিজের বিরুদ্ধে থাকা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের জব্দ সম্পদ মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে।

যুদ্ধকালীন ক্ষতিপূরণ
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় ক্ষয়ক্ষতির জন্য প্রায় ২৭০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করছে ইরান। এই ইস্যুগুলোকে নিয়ে উভয় পক্ষের অবস্থানে এখনও দূরত্বে থাকায় সমঝোতায় পৌঁছানো কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ওএনবি ডেস্ক

শেয়ার করুন

এখনই

আরো পড়ুন