ঢাকা : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি টেকসই শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা জোরালো হওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে কমেছে। বিশ্ববাজারে তেলের প্রধান মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ৫ শতাংশ কমেছে।
জুলাই মাসের জন্য ব্রেন্ট ফিউচারের দাম সোমবার (২৫ মে) গ্রিনিচ মান সময় ১টা ৫ অনুযায়ী প্রতি ব্যারেল ৯৮.৪৭ ডলারে নেমে আসে।
এটি এক মাস আগের তুলনায় প্রায় ৯ শতাংশ কম, তবে যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় এখনও এক-তৃতীয়াংশের বেশি বেশি রয়েছে।

রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প বলেন, তেহরানের সঙ্গে আলোচনা ‘শৃঙ্খলাপূর্ণ ও গঠনমূলকভাবে’ এগোচ্ছে। তবে তিনি কর্মকর্তাদের দ্রুত কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে না বলেও নির্দেশ দিয়েছেন।
ট্রাম্প লিখেছেন, ‘দুই পক্ষকেই সময় নিতে হবে এবং সঠিকভাবে এগোতে হবে। কোনো ভুলের সুযোগ নেই!’
এর আগে শনিবার ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘চুক্তির বেশিরভাগ বিষয় নিয়ে সমঝোতা হয়ে গেছে। সেই চুক্তির অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়ার কথাও রয়েছে। ‘
সিঙ্গাপুরভিত্তিক স্পার্টার জ্যেষ্ঠ তেলবাজার বিশ্লেষক জুন গোহ আল জাজিরাকে বলেন, ‘মূল পরিস্থিতিতে তেমন পরিবর্তন হয়নি। হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় প্রতিদিন ১ থেকে ১.১ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তবে বাজার আশা করছে, চুক্তি হলে আটকে থাকা জাহাজগুলো থেকে প্রায় ১০ কোটি ব্যারেল তেল আবার বাজারে আসবে।’
গোহের মতে, চুক্তি চূড়ান্ত হলেও বাজার কিছু সময় অস্থির থাকবে। সবকিছু স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে এখনও তিন থেকে ছয় মাস সময় লাগতে পারে। উৎপাদন ও রিফাইনারি পুরোপুরি চালু হতেও সময় লাগবে।
গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালি অবরোধ করে রেখেছে। এর ফলে বিশ্বের মোট তেল বাণিজ্যের প্রায় পাঁচভাগের একভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
জেএফজে



