শনিবার, ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৮শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১লা রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

মাছের পোনাবাহি গাড়িতে ডাকাতির চেষ্টা, আটক ২

মাছের পোনাবাহি গাড়িতে ডাকাতির চেষ্টা, আটক ২

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে গভীর রাতে মাছের পোনা বহনকারী একটি পিকআপ গাড়িতে ডাকাতির চেষ্টার ঘটনায় দুইজনকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। এ ঘটনায় চারজনের বিরুদ্ধে বুড়িচং থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শনিবার (২৪ মে) ভোররাত প্রায় ৩টার দিকে বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নের কালাকচুয়া নাজিরা বাজার এলাকায় চট্টগ্রাম-ঢাকাগামী মহাসড়কের ঢাকা অভিমুখী লেনে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বুড়িচং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লুৎফর রহমান। মামলার নম্বর-৩৭।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদী মো. মহিউদ্দিন (৪৬) একজন মাছের পোনা ব্যবসায়ী। তিনি নিয়মিত রাতের বেলায় পিকআপযোগে দেশের বিভিন্ন এলাকায় মাছের পোনা সরবরাহ করেন। গত ২৩ মে রাত সাড়ে ১১টার দিকে নোয়াখালীর চেয়ারম্যানঘাট এলাকা থেকে মাছের পোনা নিয়ে খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি।

পরে ২৪ মে ভোররাত ৩টার দিকে তাদের বহনকারী পিকআপটি কালাকচুয়া নাজিরা বাজার এলাকায় পৌঁছালে একটি সাদা রঙের নম্বরবিহীন প্রাইভেটকার এসে গাড়িটির গতিরোধ করে। এ সময় প্রাইভেটকার থেকে চারজন ব্যক্তি নেমে ধারালো চাপাতি, সুইচ গিয়ার ও চাইনিজ কুড়ালসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে গাড়িতে থাকা ব্যক্তিদের কাছে থাকা টাকা-পয়সা ও মালামাল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ডাকাতরা পিকআপ চালকের কাছে গাড়ির চাবি দাবি করে। এতে বাধা দিলে বাদী ও গাড়িচালককে মারধর করা হয় এবং তাদের কাছ থেকে প্রায় ৬০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

একপর্যায়ে ভুক্তভোগীদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে দুইজনকে আটক করে। তবে অপর দুইজন নম্বরবিহীন প্রাইভেটকারযোগে পালিয়ে যায়।

খবর পেয়ে দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির টহলরত সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটক দুজনকে নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং পরে থানায় নিয়ে যায়। আটক ব্যক্তিরা জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং পলাতক সহযোগীদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মামলার আসামিরা হলেন— মো. লাল মিয়া (৪৩), রুবেল আহমেদ সেলিম (৩৬), মো. শুকুর আলী বয়াতী (৫৩) ও আজাদ জোয়ারদার (৪৮)। তাদের মধ্যে লাল মিয়া ও রুবেল আহমেদ সেলিমকে আটক করা হয়েছে।

বাদী মো. মহিউদ্দিন অভিযোগ করেন, সংঘবদ্ধ এই চক্রটি টার্গেট করা গাড়িতে গোপনে জিপিএস ট্র্যাকার স্থাপন করে সুবিধাজনক স্থানে ডাকাতির ঘটনা ঘটিয়ে থাকে। তিনি পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

ওএনবি ডেস্ক

শেয়ার করুন

এখনই

আরো পড়ুন