শনিবার, ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৮শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১লা রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন

‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন

ঢাকা: মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (১০ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে মন্ত্রিসভার ১৬তম এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

তফসিলি ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি, তারল্য সংকট, দেউলিয়াত্ব বা অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ যেকোনো ঝুঁকি সময়মতো মোকাবিলা এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করা হয়।

অধ্যাদেশটি আইনে রূপান্তরের লক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বিল আকারে উত্থাপন করা হলে তা বিশদ পর্যালোচনার জন্য সংসদীয় ‘বিশেষ কমিটি’র কাছে পাঠানো হয়। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এ আইনের প্রস্তাব করে।

বিশেষ কমিটি অধ্যাদেশটি সংশোধিত আকারে উপস্থাপনের সুপারিশ করে। ওই সুপারিশের আলোকে অধ্যাদেশের কিছু বিধান বিধিমালার মাধ্যমে বাস্তবায়নের জন্য পৃথক করা হয়।

এছাড়া সরকারের আর্থিক দায়ভার, গ্রাহকদের স্বার্থ এবং ব্যাংকিং খাতের বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আইনে নতুন ধারা ১৮ক সংযোজন করে বিলটি সংসদে উত্থাপন করা হয়। পরে উত্থাপিত আকারেই ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬’ পাস হয়।

প্রচলিত রেজল্যুশন ব্যবস্থার পাশাপাশি একটি বাজারভিত্তিক বিকল্প ব্যবস্থা চালু, রেজল্যুশনের আওতাধীন ব্যাংককে সচল রেখে পুনর্গঠন, মূলধন ঘাটতি ও তারল্য সংকট দূরীকরণ, আমানতকারী ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং সরকারের আর্থিক সংশ্লেষ কমানোর লক্ষ্যে ধারা ১৮ক সংযোজন করা হয়।

তবে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬’-এর ১৮ক ধারার সব শর্ত পরিপালন করে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আবেদন না করায় ধারাটি বিলুপ্ত করার উদ্দেশ্যে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে।

এসএস/এএস

শেয়ার করুন

এখনই

আরো পড়ুন