, || ||

ক্রিকেটার নাঈমকে পিটিয়ে থানায় নেওয়ার অভিযোগ

ক্রিকেটার নাঈমকে পিটিয়ে থানায় নেওয়ার অভিযোগ

চট্টগ্রাম : ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া ও পুলিশ কাস্টোডিতে মারধরের অভিযোগ করেছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসান। শুক্রবার রাতে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ খেলে ফেরার পথে চট্টগ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার সাভারের বিকেএসপিতে প্রিমিয়ার লিগে প্রাইম ব্যাংকের হয়ে মাঠে ছিলেন নাঈম। এরপর রাত ১০টা ২০ মিনিটের ফ্লাইটে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়েন তিনি।

নাঈম অভিযোগ করেন, চট্টগ্রামে পৌঁছানোর পর বাসায় যাওয়ার পথে লালখান বাজারে ফ্লাইওভারের নিচে তাকে বহনকারী সিএনজিকে আটকায় পুলিশের একটি গাড়ি। এরপর তাকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করে গাড়িতে তোলে।

জাতীয় দলের এ ক্রিকেটার বলেন, এয়ারপোর্ট থেকে সিএনজিতে করে আসছিলাম। ১১টা ২৫ এর দিকে লালখান বাজারের দিকে সিএনজি দাঁড় করায় পুলিশ। আমি বের হয়ে দাঁড়াই। বললাম ব্যাগ চেক করেন। তবে ওই পুলিশ সদস্য আমাকে বলে, তুই গাড়িতে ওঠ, তুই আসামি। এরপর গলা চিপে ধরে আমাকে সিএনজিতে উঠাইছে।

তিনি বলেন, আমি বের হওয়ার চেষ্টা করলে দুইজন আমাকে চেপে ধরে আরেকজন মারধর করতে থাকে পাইপ দিয়ে। দুইজন পুলিশ ও একজন পাঞ্জাবি পরা কেউ ছিল। ওখানে এক পর্যায়ে প্রায় ১০০ লোক জড়ো হয়েছিল, তারা আমার পরিচয় দিলেও ওরা (পুলিশ) মারতেই থাকে। আমি পরিচয় দিয়েছি, কোনো কাজ হয়নি।’

নাঈম বলেন, এমনকি থানায় নেওয়ার পর খুলশি থানার ওসিও শুরুতে বাজে ব্যবহার করেন। আমাকে থানায় আনার পর ওসি বললেন, চোখ নামায় রাখ। এরপর ওনার ফোনে একটা কল আসে, তারপর বলে তুমি বসো। ওসি এসআই শফিকসহ বাকি দুজনকে সরিয়ে দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ওরা তো আমার মোবাইল রেখে দিছিল। থানায় আসার পর মোবাইল পেয়ে তামিম ভাইকে কল দিছি। এরপর খসরু (ঈসরাফিল খসরু) ভাই কল দিছিলেন আমাকে। ওসির সঙ্গে কথা বলছে। এরপর হাসপাতালে গিয়ে রিপোর্ট আনছি। এটা বিচার হবে তারা আমাকে আশ্বস্ত করেছে।

নাঈমের বাবা মাহবুব আলম বলেন, ও যখন আমাকে কল দেয় যে ওকে পুলিশে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। আমি চিন্তা করলাম জাতীয় দলের খেলোয়াড়কে কেনো পুলিশে ধরবে! ওকে যখন পুলিশ হ্যারেস করছে তাদের এটা বোঝায় দিতে হবে। আর অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে হবে।

চৌধুরী রেদোয়ান/এনডি/এএস

শেয়ার করুন

এখনই

আরো পড়ুন