, || ||

বিশ্বকাপে কত প্রাইজমানি পাবে চ্যাম্পিয়নরা, বাকিরা কে কত পাবে

বিশ্বকাপে কত প্রাইজমানি পাবে চ্যাম্পিয়নরা, বাকিরা কে কত পাবে

ঢাকা: সোমবার (২০ জুলাই) রাতে আর্জেন্টিনা-স্পেনের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের। বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শুরু হবে ম্যাচটি।

চলুন জেনে নেয়া যাক, এবারের বিশ্বকাপের মোট প্রাইজমানি কত, চ্যাম্পিয়ন দল কত টাকার পুরস্কার পাবে, আর রানার্সআপরা দল পাবে কত টাকা।

২০২৬ বিশ্বকাপে ৪৮ দলের অংশগ্রহণ, রেকর্ডসংখ্যক ম্যাচ, নতুন ফরম্যাট এবং বিপুল দর্শক আগ্রহ। এই বিস্তৃত আয়োজনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে আর্থিক পরিধিও।

ফলে টুর্নামেন্টের ইতিহাসে এবারই সবচেয়ে বড় অঙ্কের প্রাইজমানি দিচ্ছে ফিফা। মোট প্রাইজমানি ৬৫৫ মিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশী মুদ্রায় ৮ হাজার ৮৩ কোটি ৬১ লাখ টাকার বেশি)

সোমবারের ফাইনালে যে দলই শিরোপা জিতুক, তারা পাবে ৫ কোটি (৫০ মিলিয়ন) ডলার। বাংলাদেশী মুদ্রায় সংখ্যাটা প্রায় ৬১৭ কোটি ৭ লাখ টাকা।

রানার্সআপ দলের জন্য বরাদ্দ ৩ কোটি ৩০ লাখ (৩৩ মিলিয়ন) ডলার। বাংলাদেশী মুদ্রায় ৪০৭ কোটি ২৭ লাখ টাকা।

তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্স-ইংল্যান্ডের বিজয়ী দল পাবে ২ কোটি ৯০ লাখ (২৯ মিলিয়ন) ডলার। বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ৩৫৮ কোটি টাকা।

আর চতুর্থ হওয়া দল পাবে ২ কোটি ৭০ লাখ (২৭ মিলিয়ন) ডলার। বাংলাদেশী মুদ্রায় যা দাঁড়ায় ৩৩৩ কোটি ২২ লাখ টাকা।

এক নজরে কোন দল কত পাবে

চ্যাম্পিয়ন: ৫০ মিলিয়ন ডলার
রানার্সআপ: ৩৩ মিলিয়ন ডলার
তৃতীয় স্থান: ২৯ মিলিয়ন ডলার
চতুর্থ স্থান: ২৭ মিলিয়ন ডলার
কোয়ার্টার ফাইনালে বিদায়: ১৯ মিলিয়ন ডলার
রাউন্ড অব ১৬ থেকে বিদায়: ১৫ মিলিয়ন ডলার
রাউন্ড অব ৩২ থেকে বিদায়: ১১ মিলিয়ন ডলার
গ্রুপ পর্বেই বিদায়: ৯ মিলিয়ন ডলার, সঙ্গে প্রস্তুতি ব্যয় বাবদ অতিরিক্ত ১.৫ মিলিয়ন ডলার
অর্থাৎ, বিশ্বকাপে অংশ নেয়া সব ৪৮টি দলই অন্তত ১০.৫ মিলিয়ন ডলার নিশ্চিতভাবে পাচ্ছে।

ফিফা সরাসরি খেলোয়াড়দের নয়, সংশ্লিষ্ট দেশের ফুটবল ফেডারেশন বা অ্যাসোসিয়েশনের কাছে এই অর্থ হস্তান্তর করে। এরপর সেই সংস্থাই সিদ্ধান্ত নেয় খেলোয়াড়, কোচ ও স্টাফদের মধ্যে কতটা অর্থ বণ্টন করা হবে। বাকি অর্থ সাধারণত দেশের ফুটবল উন্নয়নে ব্যয় করা হয়।

ফিফার আয় ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি

ফিফার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ৪৮ দলের প্রথম বিশ্বকাপ থেকে সংস্থাটির আয় ১০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি হবে। সেই হিসাবে মোট প্রাইজমানি টুর্নামেন্ট থেকে অর্জিত সম্ভাব্য আয়ের প্রায় ৬.৫ শতাংশ।

এছাড়া ২০২৩-২০২৬ চক্রে ফিফার মোট আয় ১৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা আগের চার বছরের চক্রের ৭.৬ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

জেএন

শেয়ার করুন

এখনই

আরো পড়ুন