বালু খেকো নজরুল ইসলাম মেম্বারের দৌরাত্ম্য যেন থামছেই না। প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে আবারও চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের চাকলা গ্রামের কবরস্থানের পাশ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলা প্রশাসন ইতোমধ্যে তিন দফা জরিমানা করেছে এবং বালু উত্তোলন ও বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। এরপরও সেখানে বালু উত্তোলন ও বেচাকেনা অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তাঁরা।
স্থানীয়দের দাবি, কবরস্থানের পাশে পুকুর থেকে বালু উত্তোলন ও বিক্রির বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন দফা জরিমানা এবং কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে প্রশাসনের নির্দেশের পরও কার্যক্রম চলার অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

তাদের দাবি, কবরস্থানের পাশের স্থানটিতে বালু উত্তোলনের বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে দেখা হোক। একই সঙ্গে প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে কোনো কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
এদিকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করে নজরুল ইসলাম মেম্বার বলেন, “আমি কোনো বালু বিক্রি করি না। আমার পুকুরের পাড় বাঁধাই করা হচ্ছে। পুকুরের বালু তুলে পাড় বাঁধার কাজে ব্যবহার করছি। এই বালু আমি বাইরে বিক্রি করি না।”
ওএফ/এএস



