ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাস-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষ দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত ৩৫ জন আহত হয়েছেন। আহতরা সবাই বাসের যাত্রী। অধিকাংশ আহত রোগীদের হাত, পা, মাথা ও শরীরের বিভিন্ন অংশ ভেঙ্গে বিচ্ছিন্নসহ কেটে গেছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙ্গা উপজেলার বাবলাতলা নামক স্থানে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে যাত্রীবাহী বাসটি সড়ক থেকে ছিটকে ৪০ ফিট গভীর খাদে পড়ে উলটে যায়।
এ দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলে জাহাঙ্গীর মোল্লা (৪০) নামের এক পিকআপের যাত্রী নিহত হয়। নিহতের বাড়ি ভাঙ্গা পৌরসভার কৈডুবী সদরদী গ্ৰামে। তার বাবার নাম সেকেন মোল্লা। এছাড়া ঢাকায় নেওয়ার পথে নেশারউদ্দিন শেখের পুত্র আলমগীর শেখ (৪০) মারা যান।

আহতদের স্থানীয়রা, ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ও হাইওয়ে থানার পুলিশ উদ্ধার করে ভাঙ্গা হাসপাতালে ভর্তি করেন। এদের মধ্যে গুরুত্বর আহতদেরকে সরকারি ও বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সযোগে ফরিদপুর ও ঢাকা মেডিকেল কলেজে প্রেরণ করা হয়েছে।
ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মামুন জানান, ফরিদপুর থেকে মাদারীপুরগামী শাহ ফরিদ নামের একটি বাস ও টেকেরহাট থেকে বাঙ্গী বোঝাই একটি পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ৪০ ফিট গভীর খাদে পড়ে উলটে পড়ে যায়। খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনার ছেলে পৌঁছে পিকআপটি উদ্ধার করি এবং আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হসপিটালে পাঁঠায়।
ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ম্যানেজার আবু জাফর জানান, সকাল ৯টার দিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করি।



