ঢাকা : জাতীয় কাউন্সিলের আগে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের পুরো সাংগঠনিক কাঠামো ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি দল (বিএনপি)। নতুন কমিটির খসড়াও চূড়ান্ত করা হয়েছে ইতোমধ্যে।
দলের হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তে যে কোনো সময় ঘোষণা করা হবে নতুন কমিটি। ইতোমধ্যে লবিং তদবির শুরু করে দিয়েছেন পদপ্রত্যাশী নেতারা।
সূত্র বলছে, স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটি গঠনের কাজ চলমান রয়েছে। কমিটির সুপার ফাইভে কারা স্থান পেতে পারেন, সে বিষয়ে হাইকমান্ড খোঁজখবর নিচ্ছে।

জানা গেছে, ২০২২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর স্বেচ্ছাসেবক দলের এস এম জিলানীকে সভাপতি এবং রাজিব আহসানকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি গঠন করা হয় । কমিটির মেয়াদ ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে।
সংগঠনটির সভাপতি এস এম জিলানী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান সংসদ সদস্য হওয়ার পাশাপাশি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন।
ফলে দুজনের কেউই আগের মতো সংগঠনে সময় দিতে পারছেন না। এমন পরিস্থিতিতে দেয়া হচ্ছে সংগঠনটির নতুন কমিটি।
সম্প্রতি বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান, সিনিয়র সহসভাপতি ইয়াসিন আলী এবং সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান।
বর্তমান কমিটির যেহেতু মেয়াদ শেষ তাই পুনর্গঠনের বিষয়ে তারা তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এ সময় নতুন কমিটি দেওয়ার বিষয়ে আশ্বস্ত করেন তারেক রহমান।
নেতারা বলছেন, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ও ত্যাগ স্বীকারকারী নেতাদের দিয়ে কমিটি গঠন করা হলে সংগঠনে নতুন গতি ফিরবে। একইসঙ্গে তৃণমূলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ও সাংগঠনিকভাবে দক্ষ নেতাদের মূল্যায়ন করা হলে দল আরও শক্তিশালী হবে।
বিগত সময়ে যারা মামলা-হামলা, কারাভোগ ও নির্যাতনের মধ্যেও মাঠে সক্রিয় ছিলেন এমন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের নতুন কমিটিতে স্থান দেওয়া হবে এমনটাই প্রত্যাশা করছেন পদপ্রত্যাশীরা।
রাশেদ প্লাবন/এনডি/এএস



