সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৬ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১০ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

আগাছা আর ঝোপঝাড়ে ঢেকে আছে শহীদদের স্মৃতিচিহ্ন আলমডাঙ্গা বধ্যভূমি

আগাছা আর ঝোপঝাড়ে ঢেকে আছে শহীদদের স্মৃতিচিহ্ন আলমডাঙ্গা বধ্যভূমি

মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মত্যাগের স্মৃতিবিজড়িত চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা বধ্যভূমির ভাস্কর্য, স্মৃতিচিহ্নসহ বিভিন্ন অংশ আগাছা ও ঝোপঝাড়ে ঢেকে গেছে। কোথাও কোথাও জমেছে ময়লা-আবর্জনা ও মাটির স্তর। এতে মহান মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ এ স্মৃতিস্থানের পরিবেশ ও সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে।

জানা গেছে, আলমডাঙ্গা লাল ব্রিজের পাশে অবস্থিত এ বধ্যভূমিতে একসময় বিভিন্ন জাতীয় দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হতো। উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে স্থানটি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও পরিচর্যা করা হতো। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থানটি দেখতে দূর-দূরান্ত থেকেও দর্শনার্থীরা আসতেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, বধ্যভূমির বিভিন্ন অংশে বড় বড় ঘাস, আগাছা ও ঝোপঝাড় জন্মেছে। ভাস্কর্য ও স্মৃতিচিহ্নের আশপাশেও ছড়িয়ে পড়েছে আগাছা। কোথাও কোথাও ময়লা-আবর্জনা ও মাটির স্তর জমে আছে। পাশের পার্কটিরও বিভিন্ন অংশ পরিচর্যার অভাবে অপরিচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়রা বলেন, বধ্যভূমি শুধু একটি স্থাপনা নয়, এটি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও শহীদদের আত্মত্যাগের স্মারক। তাই এর বর্তমান অবস্থা তাঁদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। দ্রুত বধ্যভূমি ও পার্কের আগাছা-ঝোপঝাড় পরিষ্কার, ময়লা-আবর্জনা অপসারণ, ভাস্কর্য ও স্মৃতিচিহ্ন সংস্কার এবং নিয়মিত পরিচর্যার ব্যবস্থা করতে হবে।

তাঁদের দাবি, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে মুক্তিযুদ্ধের এই স্মৃতিবিজড়িত স্থানটি আরও অবহেলিত হয়ে পড়তে পারে। তাঁদের মতে, শহীদদের আত্মত্যাগের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরতে আলমডাঙ্গা বধ্যভূমির যথাযথ সংরক্ষণ জরুরি।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালে বধ্যভূমির স্মৃতিচিহ্ন নির্মাণ করা হয়। মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মত্যাগ ও গণহত্যার স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে এটি নির্মাণ করা হয়েছিল।

এডি/জেএন

শেয়ার করুন

এখনই

আরো পড়ুন