সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৩০শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ৩রা রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টে বাধা ও ম্যাজিস্ট্রেটকে হুমকি দেয়ার অভিযোগ

বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টে বাধা ও ম্যাজিস্ট্রেটকে হুমকি দেয়ার অভিযোগ

চুয়াডাঙ্গা: চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহীন আলমের সঙ্গে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল কাদেরের উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে।

এ সময় সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা, গালিগালাজ, অসৌজন্যমূলক ও মারমুখী আচরণের অভিযোগ তুলেছে উপজেলা প্রশাসন।

সোমবার (৩ আগস্ট) কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের কার্পাসডাঙ্গা বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা কালে এ ঘটনা ঘটে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলাকালে- বিভিন্ন ফার্মেসিতে অনুমোদনবিহীন ওষুধ, স্যাম্পল ওষুধ এবং অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্টার সংরক্ষণে অনিয়ম ধরা পড়ে। ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩ অনুযায়ী অনিয়মের দায়ে তিনটি ফার্মেসিকে অর্থদণ্ড করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

জানতে চাইলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহীন আলম বলেন, আইন অনুযায়ী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ও জরিমানা করা হচ্ছিল। এ সময় আব্দুল কাদের ঘটনাস্থলে এসে জনসম্মুখে তার সঙ্গে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন, গালিগালাজ করেন এবং মারমুখী ভঙ্গিতে কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, আব্দুল কাদের মব সৃষ্টি করার চেষ্টা করেন। এতে সরকারি দায়িত্ব পালনে বিঘ্ন ঘটে। বিষয়টি তিনি জেলা প্রশাসকসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন বলে জানান।

এ বিষয়ে দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লাভলী ইয়াসমিন বলেন, বিষয়টি জেলা প্রশাসকসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। প্রশাসন আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছে। অভিযান চলাকালে কেউ এসে মব সৃষ্টি করবে, প্রশাসনের কর্মকর্তাদের গালিগালাজ করবে বা দায়িত্ব পালনে বাধা দেবে, এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অভিযোগের বিষয়ে আব্দুল কাদের বলেন, এসিল্যান্ডের সঙ্গে কোনো মারমুখী বা অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয়নি। কিছু বিষয় নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়েছে।

জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক এম এ তালহা বলেন, ঘটনাটি এখনও বিস্তারিত জানি না। যদি সাংগঠনিক কোনো নেতাকর্মী এমন আচরণ করে থাকেন এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়, তাহলে দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু বলেন, ঘটনাটি আমি শুনেছি। একজন ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে এরকম আচরণ খুবই দুঃখজনক। এগুলো কোনরকমে মেনে নেয়া যায় না।

এমএস/এএস

শেয়ার করুন

এখনই

আরো পড়ুন