সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৩০শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ৩রা রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

উখিয়ার সেই মা হত্যার ঘটনায় বিএনপির ১০ নেতা-কর্মীর নামে মামলা

উখিয়ার সেই মা হত্যার ঘটনায় বিএনপির ১০ নেতা-কর্মীর নামে মামলা

কক্সবাজার : কক্সবাজারের উখিয়ায় ছেলেকে প্রতিপক্ষের হামলা থেকে রক্ষা করতে গিয়ে নিহত মা ছৈয়দা খাতুন হত্যা ঘটনায় অবশেষে মামলা দায়ের হয়েছে। সোমবার (১৮ মে) রাতে মামলাটি উখিয়া থানায় রেকর্ড করা হয়।

মামলায় আসামী করা হয়েছে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ১০ নেতা-কর্মীকে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৭/৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।

নিহত ছৈয়দা খাতুন (৫৫) উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের টাইপালং গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় বাসিন্দা সব্বির আহমেদের স্ত্রী।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ মে রাতে টাইপালং গ্রামে পূর্ববিরোধের জেরে একদল ব্যক্তি আব্দুর রহমানের ওপর হামলা চালায়। এ সময় ছেলেকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে হামলাকারীদের মারধরে ঘটনাস্থলেই নিহত হন তাঁর মা ছৈয়দা খাতুন।

সোমবার রাত ৮টার দিকে নিহতের ছেলে আব্দুর রহমান বাদী হয়ে উখিয়া থানায় মামলার এজাহার দাখিল করেন। পরে পুলিশ সেটিকে নিয়মিত হত্যা মামলা হিসেবে রুজু করেন।

মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে উখিয়া রাজাপালং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সম্ভাব্য ইউপি সদস্য প্রার্থী ও উপজেলা বিএনপির সদস্য মিজান সিকদারকে। এছাড়া তাঁর ছেলে ছাত্রদল নেতা হাসেম সিকদার জিসানকেও আসামি করা হয়েছে।

অন্যান্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন, সরকারি স্বাস্থ্য বিভাগের অ্যাম্বুলেন্স চালক শামসুল আলম, ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল করিম, তাঁর ছেলে ছাত্রদল নেতা জুলফিকার আকাশ, ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছৈয়দ বাবুল, রাজাপালং ইউনিয়ন শ্রমিকদল (দক্ষিণ) সভাপতি সাইফুল ইসলাম সিকদার, জাহাঙ্গীর আলম, জামাল উদ্দিন ও রফিক উদ্দিন।

বাদী আব্দুর রহমান বলেন, আমার মাকে আমার সামনেই হত্যা করা হয়েছে। যাদের আমি ঘটনাস্থলে দেখেছি, তাঁদের নামই মামলায় দিয়েছি। হত্যাকারীদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত আইনি লড়াই চালিয়ে যাব।

এর আগে রোববার দুপুরে টাইপালং গ্রামে ছৈয়দা খাতুনের জানাজায় স্থানীয় বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ কয়েক হাজার মানুষ অংশ নেন।

উখিয়া থানার ওসি মুজিবুর রহমান বলেন, নিহতের ছেলের দেওয়া এজাহারের ভিত্তিতে সোমবার রাতে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন/এনডি/এএস

শেয়ার করুন

এখনই

আরো পড়ুন