ঢাকা: গ্রিসের উপকূলীয় এলাকা থেকে ২০২ জন অবৈধ অভিবাসীকে উদ্ধার করেছে দেশটির কোস্ট গার্ড। উদ্ধার পাওয়া এসব ব্যক্তির বড় একটি অংশ বাংলাদেশ ও সুদানের নাগরিক। এদের মধ্যে কিছু মিশরীয় নাগরিকও রয়েছেন।
গ্রিক সংবাদমাধ্যম ডিমোক্রেটিয়ার বরাতে মিডল ইস্ট মনিটর জানায়, লিবিয়া উপকূল থেকে ছেড়ে আসা বেশ কয়েকটি নৌকায় চড়ে অন্তত ২০২ জন অভিবাসী ক্রিট দ্বীপে এসে পৌঁছান। আকস্মিকভাবে বিপুলসংখ্যক মানুষের আগমনে দ্বীপটির অস্থায়ী অভিবাসী অভ্যর্থনা কেন্দ্রগুলোর ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে ইউরোপীয় সীমান্ত ও উপকূল রক্ষাকারী সংস্থা ‘ফ্রন্টেক্স’-এর একটি বিমান ক্রিটের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় আইয়েরাপেত্রা উপকূলে ৪০ জন অভিবাসীবাহী একটি নৌকার সন্ধান পায়।

খবর পেয়ে গ্রিক কোস্ট গার্ড ও স্থানীয় একটি মাছ ধরার ট্রলার যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করে আইয়েরাপেত্রা বন্দরে নিয়ে যায়। বর্তমানে সেখানে তাদের পরিচয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
এর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে আরও দুটি পৃথক নৌকা থেকে ১১২ জন অভিবাসীকে উদ্ধার করে গ্রিক কর্তৃপক্ষ। উদ্ধার হওয়া প্রথম দলটির ৫৬ জনের মধ্যে ৩১ জন সুদান ও ২৫ জন বাংলাদেশের নাগরিক। অন্যদিকে দ্বিতীয় নৌকাটির ৫৬ জন অভিবাসীর মধ্যে ৪৭ জন বাংলাদেশী এবং ৯ জন মিসরীয় নাগরিক।
উদ্ধার করা সব অভিবাসীকে বর্তমানে হেরাক্লিয়ন বন্দরের একটি সাময়িক আবাসনকেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে। ক্রিট দ্বীপে ক্রমাগত অবৈধ অভিবাসীদের আগমন বাড়তে থাকায় এই কেন্দ্রটিকে তাদের সাময়িক আশ্রয়ে ব্যবহার করা হচ্ছে।
জানা গেছে, ক্রিট দ্বীপে অভিবাসী আগমন বেড়ে যাওয়ায় সব অভিবাসীকে হেরাক্লিয়ন বন্দরের অস্থায়ী আবাসন কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে। দ্বীপটিতে নতুন করে আসা অভিবাসীদের গ্রহণে কেন্দ্রটি এখনও ব্যবহার করা হচ্ছে।
জেএন



