ঢাকা: বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ। ২০০৮ সালের এই দিনে তৎকালীন ১/১১-এর সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ১৮ মাসের বন্দিদশা ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন তিনি।
জানা যায়, ২০০৭ সালের ৭ মার্চ ঢাকা সেনানিবাসের মইনুল রোডের বাসভবন থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে। দীর্ঘ ১৮ মাস (৫৫৪ দিন) কারাবাসের পর ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তিনি তৎকালীন পিজি হাসপাতাল (বর্তমানে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে কারামুক্ত হন।
সেসময় তাকে টানা ৫৫৪ দিন কারাবন্দি থাকতে হয়। কারাগারে রিমান্ডের নামে চলে অমানবিক নির্যাতন। নিষ্ঠুর নির্যাতনে তার মেরুদণ্ড ভেঙে দেয়া হয়। মুমূর্ষু অবস্থায় তারেক রহমানকে রাজধানীর তৎকালীন পিজি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সব মামলায় জামিন পেলে ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মুক্তি পান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শারীরিক নির্যাতনে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় মুক্তির কয়েকদিন পর ১১ সেপ্টেম্বর চিকিৎসার উদ্দেশ্যে তিনি লন্ডন যান। তারপরই শুরু দীর্ঘ নির্বাসিত জীবন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস উপলক্ষ্যে গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আলোচনা সভার আয়োজন করে উত্তরাঞ্চল ছাত্র ফোরাম।
এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহল কবির রিজভী বলেছেন, তারেক রহমান তখন রাজনীতিতে নবীন, তাকে বন্দি করার মূল উদ্দেশ্য ছিল জাতীয়তাবাদী রাজনীতি যেন আর কোমর সোজা করে দাঁড়াতে না পারে।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, তারেক রহমানের ওপর অতীতে চালানো নির্যাতন ও কষ্টের দিনগুলোর কোনো প্রতিশোধ তিনি নিতে চান না। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী এবং উত্তরাঞ্চল ছাত্র ফোরামের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর হেলাল।
বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা দিনটিকে তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।
পিএস/এএস



