ঢাকা : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভায় রয়েছেন ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। এর মধ্যে একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন কয়েকজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী।
কাজের চাপ কমানো এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনতেই মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের চিন্তা করছে সরকার প্রধান। নতুন করে তিন থেকে পাঁচজনকে মন্ত্রিসভায় যুক্ত করার বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে বলে জানা গেছে।
![]()
এদিকে বর্তমান সরকারের মন্ত্রিসভায় পরিবর্তনের সম্ভাবনা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা বাড়ছে। সরকার গঠনের তিন মাস না পেরোতেই নতুন সদস্য যুক্ত করা এবং কয়েকজন মন্ত্রীর দপ্তরে রদবদলের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ মুখ খুলছেন না।

এ প্রসঙ্গে বেসরকারি বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রাশেদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, মন্ত্রিসভায় কী ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে, সে বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা দেখা গেলেও সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, এটা কোনো বিচিত্র ব্যাপার না, খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। সংসদীয় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন স্বাভাবিক বিষয়।
তিনি বলেন, তার মানে এই না যে, এটা হবেই বা এখন হবে কিংবা তখন হবে। এগুলো নিয়ে কথা বলার ক্ষমতা একমাত্র বোধয় প্রধানমন্ত্রীর আছে। তিনি যখন উপযুক্ত বিবেচনা করবেন, তখন কাউকে দায়িত্ব দিতে পারেন বা কারও থেকে দায়িত্ব নিয়ে নিতে পারেন।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সরকারের প্রথম দিকেই মন্ত্রিসভা পুনর্গঠন বা সম্প্রসারণের আলোচনা সাধারণত প্রশাসনিক সমন্বয় ও রাজনৈতিক ভারসাম্যের অংশ হিসেবে দেখা হয়।
এদিকে রাজনৈতিক মহলে যাদের নাম আলোচনায় রয়েছে, তাদের মধ্যে আছেন সংসদ সদস্য আবদুল মঈন খান, বরকত উল্লাহ বুলু, জয়নুল আবদিন ফারুক, এরশাদ উল্লাহ, বি এম মোশাররফ হোসেন এবং সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য সেলিমা রহমান।
এছাড়া টেকনোক্রেট কোটায় মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও মাহিদুর রহমানের নামও আলোচনায় এসেছে।
রাশেদ প্লাবন/এনডি/এএস



