, || ||

সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের দায়ে শিগগিরই আওয়ামী লীগের বিচার শুরু: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের দায়ে শিগগিরই আওয়ামী লীগের বিচার শুরু: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা: সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের দায়ে রাজনৈতিক দল হিসেবে শিগগিরই আওয়ামী লীগকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে বলেও মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই জাতীয় সম্মেলনে দেয়া বক্তব্যে এই মন্তব্য করেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পতন হয়েছে। তারা এ দেশে আর কোনোদিন রাজনীতি করতে পারবে না। রাজনৈতিকভাবে তাদের দাফন হয়ে গেছে। আর এখন আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাকর্মীরা বিদেশে বসে গণতান্ত্রিক দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচারের দাবি আমরা করেছি, জনগণও করেছে। তদন্ত এগিয়ে চলছে। ইনশাআল্লাহ খুব শিগগিরই রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে বিচারের কাঠগড়ায় নেওয়া হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সংবিধান ও সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধনের মাধ্যমে রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের বিচার করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, সন্ত্রাসবিরোধী আইন এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-সংক্রান্ত আইনি কাঠামোতে রাজনৈতিক দলের বিচার করার বিধান রয়েছে। তাই সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে।

বিচার কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরে তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলন-সংক্রান্ত পাঁচটি হত্যা, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ইতোমধ্যে হয়েছে। আরও ২৭টি মামলা বিচারাধীন এবং ৭২টি মামলার তদন্ত শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘সে সময় তারেক রহমানের সঙ্গে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে নির্ঘুম রাত কাটিয়ে দলকে সংগঠিত করে অরাজনৈতিক পরিচয়ে জুলাই আন্দোলনের পরিসমাপ্তি ঘটাতে সক্ষম হই। এটা পর্দার অন্তরালের কথা।’

তিনি আরও বলেন, ‘আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে জাতির প্রত্যাশা অনেক। অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনায় সবাইকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে। সরকার তার পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করছে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জুলাই আন্দোলনের চেতনাকে রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করা উচিত নয়। যারা জুলাইয়ের চেতনা বিক্রি করে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা করবে, তাদের পরিণতিও ইতিহাস নির্ধারণ করবে। যারা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি করেছে, তারা আজ দিল্লিতে গিয়ে বসে আছে।

আরপি/এনডি/এএস

শেয়ার করুন

এখনই

আরো পড়ুন