সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৩০শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ৩রা রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

যেভাবে বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার হলেন ডন

যেভাবে বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার হলেন ডন

ঢাকা: ঢাকাই ছবির জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলার চার নম্বর আসামি খল অভিনেতা আশরাফুল হক ডন। গত বছরের ২১ অক্টোবর মামলার পর থেকেই আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থেকে যেতে চেয়েছিলেন সৌদি আরবে ওমরাহ করার জন্য।

তবে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করার সময় ধরা পড়েন তিনি। এরপর ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে খবর দেয় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি)। তারা এসে বিমানবন্দর থেকে ডনকে নিয়ে যায়।

জানা গেছে, গত বছর আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন আদালত। সে সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে একটি রিকুইজিশন পাঠিয়ে এজাহারে নাম থাকা আসামিদের দেশত্যাগে বাধা দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন।

সালমান শাহর মৃত্যুর ২৯ বছর পর আদালত হত্যা মামলা পরিচালনার নির্দেশ দেন গত বছর। ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক এ আদেশ দেন।

এ ব্যাপারে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন বলেন, গত বছরের ২১ অক্টোবর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় সালমান শাহর সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, খল অভিনয়শিল্পী আশরাফুল হক ডনসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়। আদালত মামলাটি সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

ডন গ্রেফতারের পর সালমান শাহ হত্যা মামলার কোনো অগ্রগতি হবে কি না- জানতে চাইলে সিআইডির এই কর্মকর্তা বলেন, বর্তমানে মামলাটি সিআইডি অধিকতর তদন্ত করছে। নিশ্চয় মামলার অগ্রগতি হবে।

পুরোনো নথি থেকে দেখা যায়, একাধিক তদন্ত সংস্থার হাত ঘুরে সালমান শাহর মৃত্যু রহস্য উদঘাটনে দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংস্থাটি প্রতিবেদন দেয়, সালমান শাহের মৃত্যু আত্মহত্যাজনিত। তবে তার পরিবার ও ভক্তরা তা মানতে পারেননি।

এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, খল অভিনেতা আশরাফুল হক ডনসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে জল্পনা চললেও তদন্তের জন্য কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

আরপি/এএস

শেয়ার করুন

এখনই

আরো পড়ুন