চুয়াডাঙ্গা: চুয়াডাঙ্গায় অপহরণের ৯ দিন পর রাফি (২০) নামের এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি পেশায় ব্যাটারিচালিত ভ্যান চালক ছিলেন।
শনিবার (১৩ জুন) সকাল ১০টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুতুবপুর এলাকার অর্জুন খাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রাফিন আলমডাঙ্গা উপজেলার চিলাভালকি গ্রামের সৌদি প্রবাসী আক্তার হোসেনের ছেলে।

পরিবারের দাবি, ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ না পেয়ে অপহরণকারীরা তাকে হত্যা করেছে।
জানা যায়, শুক্রবার রাতে অর্জুন খালের পাশে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে শনিবার সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহটি অর্ধগলিত অবস্থায় ছিল।
নিহতের স্বজনেরা জানান, গত ৫ জুন সকালে রাফিন তার ভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। সন্ধ্যা পর্যন্ত বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
তারা আরও জানান, ওইদিন রাত ৮টার দিকে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে জানানো হয়, রাফিনকে অপহরণ করা হয়েছে। তাকে জীবিত ফেরত পেতে হলে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিতে হবে। এরপর পরিবারের পক্ষ থেকে আলমডাঙ্গা থানায় অভিযোগ করা হয়।
স্বজনদের দাবি, অপহরণকারীদের সঙ্গে যোগাযোগের সময় তারা রাফিনের অবস্থান জানতে চাইলে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। বরং ফোনের অপর প্রান্ত থেকে তাকে মারধরের শব্দ শোনানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, নিহতের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ইআর/এনডি/এএস



